ফারাক্কা বাঁধ এখন ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে: মির্জা ফখরুল

মফস্বল সংবাদ ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬, ০৯:২০ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

ফারাক্কা বাঁধকে এখন বাংলাদেশের জন্য একটি ‘মরণফাঁদ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি অভিযোগ করেন, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত ঝুঁকি উপেক্ষা করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ভারতকে পরীক্ষামূলকভাবে ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়েছিল। সেই বাঁধ দীর্ঘদিন ধরে চালু থাকায় দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল মারাত্মক পানিসংকটে পড়েছে এবং মানুষ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

শুক্রবার (১৫ মে) ‘ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস’ উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ভারতের গঙ্গা নদীর ফারাক্কা পয়েন্টে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে অভিন্ন নদীর পানি একতরফাভাবে প্রত্যাহার শুরু হয়, যার ফলে বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ধীরে ধীরে মরুভূমিতে রূপ নিচ্ছে। ওই এলাকায় পানিসহ প্রাকৃতিক ভারসাম্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ১৬ মে বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। প্রায় ৪৯ বছর আগে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর আহ্বানে লাখো মানুষ ফারাক্কা অভিমুখে ঐতিহাসিক লংমার্চে অংশ নেয়, যা পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের আন্দোলনের প্রতীক হয়ে আছে।

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, তৎকালীন সরকার জনগণের মতামত উপেক্ষা করে পরিবেশগত ঝুঁকি বিবেচনা না করেই পরীক্ষামূলকভাবে ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দেয়। তার দাবি, এই সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পানির ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ফারাক্কা অভিমুখে ঐতিহাসিক পদযাত্রা দেশের জনগণকে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করেছিল। এই দিনটি আজও ন্যায্য দাবির আন্দোলনের অনুপ্রেরণা হিসেবে বিবেচিত।

মির্জা ফখরুল আরও দাবি করেন, আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত ৫৪টি অভিন্ন নদীতে একের পর এক বাঁধ নির্মাণ করে একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার করছে, যা দেশের অস্তিত্বের জন্য হুমকি তৈরি করছে।

প্রধান সম্পাদক: মো. নূরুল হক

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: আজরত পাড়া, মহাখালী, ঢাকা ১২১২।

ইমেইল: mofossolsangbad@gmail.com

মোবাইল: 01626605495